নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো. রায়হানুল হকের বিরুদ্ধে সোলার সেচ প্রকল্পের কাজের নামে কৃষকের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সম্প্রতি কৃষি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার চন্ডীগড় ইউনিয়নের ফেচিয়া গ্রামের কৃষক হাসান আলী ও তার ফুফাতো ভাই আলাল মিয়া সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরেন।
কৃষক হাসান আলী বলেন, ‘আমার ফুফাতো ভাই আলাল মিয়ার নামে সোলার সেচ পাম্প প্রকল্পের কাজ আসে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমি জানতে পারি এই কাজ সরকারি এবং এর জন্য কোনো টাকা লাগে না।
কৃষক আলাল মিয়া বলেন, সরকারি কাজে কোনো টাকা লাগে না। কিন্তু রায়হান স্যার ১ লাখ টাকা চেয়েছেন, এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে। আমাদের টাকা ফেরত চাই।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি বছরের গত ২ জুন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাস ছুটিতে যান। সেই দায়িত্বভার অস্থায়ীভাবে গ্রহণ করেছিলেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা রায়হানুল হক। তার দায়িত্ব পালনকালে এই ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে, যা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তার দায়িত্বকাল শেষ হবে আজ ২ ডিসেম্বর।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা কৃষি অফিসে গেলে রায়হানুল হককে পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আপনারা জানেন আমি কেমন ধরনের অফিসার।’
এ বিষয়ে নেত্রকোনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’