দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় ৩৮ লাখ ৩৭ হাজার ৬১২ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিশ্বের টাইফয়েড প্রাদুর্ভাব অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান।
তিনি আরো বলেন, টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হলে বাচ্চারা কমপক্ষে পাঁচ বছর পর্যন্ত টাইফয়েডের জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে।
স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন, টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ পদক্ষেপ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে টিকা দিয়ে প্রতিরোধযোগ্য মারাত্মক সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে টাইফয়েড জ্বর অন্যতম। ‘সালমোনেলা টাইফি’ নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এই রোগ হয়ে থাকে।
মহাপরিচালক বলেন, ‘সারা দেশে ৯ থেকে ১৫ বছর বয়সী পাঁচ কোটি শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১২ অক্টোবর, চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত।
তিনি আরো বলেন, ‘আজ বুধবার পর্যন্ত সারা দেশে ৩৮ লাখ ৩৭ হাজার ৬১২ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী রয়েছে ৩৫ লাখ ১৫ হাজার ৪৩ জন। আর বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকে দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ২২ হাজার ৫৬৯ জনকে।’
তিনি বলেন, ‘স্কুলের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা টাইফয়েডের টিকা গ্রহণ করতে পারবে। এজন্য সারা দেশে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।