জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার কক্সবাজার ভ্রমণ নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ ও সংশয় জেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এনসিপির কিছু নেতৃবৃন্দ কক্সবাজারে গেছেন, তারা যেতেই পারেন। অসুবিধার কিছু নেই। সেখানে যদি কোনো কূটনীতিকের সঙ্গে আপনাদের আলাপ-আলোচনা হয়, প্রোগ্রাম হওয়ার থাকে, সেটা হতেই পারে। কিন্তু মানুষের সংশয় হচ্ছে, এই লুকোচুরি কেন? এটা করবেন না। আজ উত্তরার দিয়াবাড়ীতে শুক্রভাঙ্গা এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত মাসুমা বেগমের পরিবারের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির ওই নেতাদের উদ্দেশে রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানে আপনারা নেতৃত্ব দিয়েছেন। আপনারা সেখানে অংশগ্রহণ করেছেন। জনগণ চায়, গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলনে যারা কাজ করেছে, তাদের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা থাকবে। আজকে কেন আপনারা সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছেন? কেন আপনাদের নিয়ে বিভিন্ন কথা উঠছে? আপনারা যেকোনো কাজেই যেতে পারেন, যে কারও সঙ্গেই সাক্ষাৎ করতে পারেন। ওটা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিন। তাহলে তো আর কোনো প্রশ্ন আসে না। লুকোচুরি করলে তো মানুষ নানা ষড়যন্ত্র খুঁজবে। এখান থেকে নানা কাহিনী রচিত হবে।
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের দাবি ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে প্রধান উপদেষ্টা চিঠি দেয়ায় প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দেশের জনগণ একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করে। ভোট নিরপেক্ষ হতে সকল ধরনের সার্বিক সহযোগিতার করবে বিএনপি।
এসময় রুহুল কবির রিজভী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। মাসুমা বেগমের স্বামী মোহাম্মদ সেলিমের হাতে এককালীন আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অগ্নিদগ্ধে নিহত মাসুমা বেগমের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ’র পড়া-লেখার দায়িত্ব নিয়েছেন- এই বার্তা পৌঁছে দেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন।
রিজভীর সঙ্গে এসময় উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, উপদেষ্টা আবুল কাশেম, সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, শাকিল আহমেদ, ফরহাদ আলী সজীব প্রমুখ।
এনসিপির ওই নেতাদের উদ্দেশে রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানে আপনারা নেতৃত্ব দিয়েছেন। আপনারা সেখানে অংশগ্রহণ করেছেন। জনগণ চায়, গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলনে যারা কাজ করেছে, তাদের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা থাকবে। আজকে কেন আপনারা সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছেন? কেন আপনাদের নিয়ে বিভিন্ন কথা উঠছে? আপনারা যেকোনো কাজেই যেতে পারেন, যে কারও সঙ্গেই সাক্ষাৎ করতে পারেন। ওটা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিন। তাহলে তো আর কোনো প্রশ্ন আসে না। লুকোচুরি করলে তো মানুষ নানা ষড়যন্ত্র খুঁজবে। এখান থেকে নানা কাহিনী রচিত হবে।
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের দাবি ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে প্রধান উপদেষ্টা চিঠি দেয়ায় প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দেশের জনগণ একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করে। ভোট নিরপেক্ষ হতে সকল ধরনের সার্বিক সহযোগিতার করবে বিএনপি।
এসময় রুহুল কবির রিজভী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। মাসুমা বেগমের স্বামী মোহাম্মদ সেলিমের হাতে এককালীন আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অগ্নিদগ্ধে নিহত মাসুমা বেগমের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ’র পড়া-লেখার দায়িত্ব নিয়েছেন- এই বার্তা পৌঁছে দেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন।
রিজভীর সঙ্গে এসময় উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, উপদেষ্টা আবুল কাশেম, সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, শাকিল আহমেদ, ফরহাদ আলী সজীব প্রমুখ।