দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি–২০২ (বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার) বৃহস্পতিবার দেশে অবতরণ করে। এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে এক ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক আবহ।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে ভোরের আলো ফোটার আগেই পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢলে সড়কের দুই পাশ ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকাও ভরে ওঠে।
ইতিহাসের সাক্ষী হতে শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে ভোর থেকেই বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও থানা থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মীরা সড়কের ওপর শুয়ে-বসে অবস্থান নেন। কেউ কেউ কম্বল মুড়ি দিয়ে, আবার অনেকে আগুন জ্বালিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন তাদের প্রিয় নেতাকে সংবর্ধনা জানানোর জন্য।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল হতেই রাজধানীর রাজপথে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে স্লোগান— ‘লিডার আসছে’। এর পাশাপাশি ‘তারেক রহমান ফিরবেন, গণতন্ত্র ফিরবে’, ‘তারেক রহমান আসছে, রাজপথ কাঁপছে’, ‘তারেক রহমান বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে’—এমন নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
স্লোগানের তালে তালে ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। সড়কের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে মিছিলগুলো একত্রিত হয়ে বিশাল জনসমাবেশে রূপ নেয়।
নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে আবেগ, উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশার মিশ্র প্রতিফলন। অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। কেউ কেউ চোখে জল নিয়ে প্রিয় নেতার দেশে ফেরাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকা সাজানো হয়েছে দলীয় রঙে। চারপাশে টানানো হয়েছে বড় বড় ব্যানার ও ফেস্টুন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বিএনপির রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। সেই প্রত্যাশা নিয়েই ‘লিডার আসছে’ স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকার রাজপথ।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে ভোরের আলো ফোটার আগেই পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়ক জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢলে সড়কের দুই পাশ ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকাও ভরে ওঠে।
ইতিহাসের সাক্ষী হতে শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে ভোর থেকেই বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও থানা থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মীরা সড়কের ওপর শুয়ে-বসে অবস্থান নেন। কেউ কেউ কম্বল মুড়ি দিয়ে, আবার অনেকে আগুন জ্বালিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন তাদের প্রিয় নেতাকে সংবর্ধনা জানানোর জন্য।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল হতেই রাজধানীর রাজপথে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে স্লোগান— ‘লিডার আসছে’। এর পাশাপাশি ‘তারেক রহমান ফিরবেন, গণতন্ত্র ফিরবে’, ‘তারেক রহমান আসছে, রাজপথ কাঁপছে’, ‘তারেক রহমান বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে’—এমন নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
স্লোগানের তালে তালে ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। সড়কের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে মিছিলগুলো একত্রিত হয়ে বিশাল জনসমাবেশে রূপ নেয়।
নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে আবেগ, উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশার মিশ্র প্রতিফলন। অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। কেউ কেউ চোখে জল নিয়ে প্রিয় নেতার দেশে ফেরাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকা সাজানো হয়েছে দলীয় রঙে। চারপাশে টানানো হয়েছে বড় বড় ব্যানার ও ফেস্টুন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বিএনপির রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। সেই প্রত্যাশা নিয়েই ‘লিডার আসছে’ স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে ঢাকার রাজপথ।