কেরানীগঞ্জে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের বিশেষ অভিযান চালাকালে অস্ত্র-গুলি ও ধারালো অস্ত্র এবং ককটেলসহ ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে রোহিতপুর ইউনিয়নের সোনাকান্দা এলাকায অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. সামুন হাওলাদার (৩৪), আরিফ মৃধা ( ৩৩), কামাল মাদবর (৩৪) ও কুদ্দুস ওরফে হৃদয় মোল্লা ওরফে ছোট (২২)।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এস আই মিজানুর রহসান বলেন, আমি ও এসআই মশিউর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রোহিতপুর ইউনিয়নে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করি।
এ সময় মাওয়া হাইওয়ে সড়কের আব্দুল্লাহপুর এলাকার দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা একটি জিপ গাড়িকে থামানোর সিগন্যাল দেই। কিন্তু গাগিটি না থামিয়ে টেনে যায়। আমরা তাদের পিছু নিয়ে গাড়িটি গতি রোধ করি। এ সময় গাড়ির ভেতর থাকা চারজরকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা স্বীকারোক্তি দেন যে তারা ডাকাতি করার জন্য কেরানীগঞ্জে ঢুকেছে।
তাদের সঙ্গে আরো ১০-১২ জন পুলিশ দেখে পালিয়ে গেছে।
তিনি আরো জানান, গাড়িটি তল্লাশি করে চালকের সিটের নিচ থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, তিনটি তাজা কার্তুজ, একটি কার্তুজের খোসা,একটি ধারালো বড় চাকু, তিনটি লোহার রড দিয়ে বানানো তাদের অন্ত্র, একটি স্ক্রুডেইবার উদ্ধার করা হয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের পরামর্শে গ্রেপ্তারদের থানায় নিয়ে আসা হয়।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম (পিপিএম) বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের গ্রেপ্তাররা জানান, তারা কেরানীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাই করে আসছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে এসআই মশিউর বাদী হয়ে ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা দায়ের করেছেন। আজ বুধবার দুপুরে পলাতক ডাকাত ও আরো অস্ত্র উদ্ধারের জন্য সাত দিনে রিমান্ড চেয়ে গ্রেপ্তারদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. সামুন হাওলাদার (৩৪), আরিফ মৃধা ( ৩৩), কামাল মাদবর (৩৪) ও কুদ্দুস ওরফে হৃদয় মোল্লা ওরফে ছোট (২২)।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এস আই মিজানুর রহসান বলেন, আমি ও এসআই মশিউর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রোহিতপুর ইউনিয়নে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করি।
এ সময় মাওয়া হাইওয়ে সড়কের আব্দুল্লাহপুর এলাকার দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা একটি জিপ গাড়িকে থামানোর সিগন্যাল দেই। কিন্তু গাগিটি না থামিয়ে টেনে যায়। আমরা তাদের পিছু নিয়ে গাড়িটি গতি রোধ করি। এ সময় গাড়ির ভেতর থাকা চারজরকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা স্বীকারোক্তি দেন যে তারা ডাকাতি করার জন্য কেরানীগঞ্জে ঢুকেছে।
তাদের সঙ্গে আরো ১০-১২ জন পুলিশ দেখে পালিয়ে গেছে।
তিনি আরো জানান, গাড়িটি তল্লাশি করে চালকের সিটের নিচ থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, তিনটি তাজা কার্তুজ, একটি কার্তুজের খোসা,একটি ধারালো বড় চাকু, তিনটি লোহার রড দিয়ে বানানো তাদের অন্ত্র, একটি স্ক্রুডেইবার উদ্ধার করা হয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের পরামর্শে গ্রেপ্তারদের থানায় নিয়ে আসা হয়।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম (পিপিএম) বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের গ্রেপ্তাররা জানান, তারা কেরানীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাই করে আসছে।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে এসআই মশিউর বাদী হয়ে ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা দায়ের করেছেন। আজ বুধবার দুপুরে পলাতক ডাকাত ও আরো অস্ত্র উদ্ধারের জন্য সাত দিনে রিমান্ড চেয়ে গ্রেপ্তারদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।’