চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় আবদুল মান্নান (৪০) নামে শ্রমিকদলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মধ্যম সরফভাটা বুলইন্যা বাপের বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম।
নিহত আবদুল মান্নান সরফভাটা ২নং ওয়ার্ড জিলানী মাদ্রাসা এলাকার মুহিদুল্লাহ বাপের বাড়ির মো. নাজেরের ছেলে।
তিনি ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন। বাড়ি সরফভাটা হলেও তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে চন্দ্রঘোনা ভাড়া বাসায় থাকতেন।
জানা গেছে, পথচারীরা বুলইন্যার বাড়ির কাছে সড়কের নির্জন এলাকায় মান্নানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ছিল।
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের অনুসারীদের নির্যাতনের মুখে প্রবাসে চলে যান মান্নান। গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর প্রবাস থেকে ফিরে ব্যবসা শুরু করেন।
রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম বলেন, নিহতের শরীরে চারটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি বাম চোখের কাছে, বাম হাতে একটা এবং পেটের ডানপাশে দুটি গুলির চিহ্ন দেখা গেছে।
লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম।
নিহত আবদুল মান্নান সরফভাটা ২নং ওয়ার্ড জিলানী মাদ্রাসা এলাকার মুহিদুল্লাহ বাপের বাড়ির মো. নাজেরের ছেলে।
তিনি ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন। বাড়ি সরফভাটা হলেও তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে চন্দ্রঘোনা ভাড়া বাসায় থাকতেন।
জানা গেছে, পথচারীরা বুলইন্যার বাড়ির কাছে সড়কের নির্জন এলাকায় মান্নানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ছিল।
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের অনুসারীদের নির্যাতনের মুখে প্রবাসে চলে যান মান্নান। গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর প্রবাস থেকে ফিরে ব্যবসা শুরু করেন।
রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম বলেন, নিহতের শরীরে চারটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি বাম চোখের কাছে, বাম হাতে একটা এবং পেটের ডানপাশে দুটি গুলির চিহ্ন দেখা গেছে।
লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।