শারদীয় দুর্গাপূজা, সাপ্তাহিক ছুটি এবং সরকারি ছুটির সমন্বয়ে মিলেছে টানা চার দিনের ছুটি। এই ছুটিকে কেন্দ্র করে ভ্রমণপিপাসু মানুষের সুবিধার্থে চালু করা হয়েছে ‘বিশেষ ট্রেন’। ঢাকা-কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ১ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই ট্রেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করেছে ‘ঢাকা স্পেশাল’ ট্রেন।
একই দিন রাতে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ‘ট্যুরিস্ট স্পেশাল’ ট্রেন ছেড়ে গেছে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে। উভয় ট্রেন প্রতিদিনই নির্ধারিত রুটে চলবে ছুটির শেষদিন পর্যন্ত।
প্রতিটি বিশেষ ট্রেনে ১৮টি বগি থাকবে। দিনে ৮৩৪টি ও রাতে ৭৮৯টি আসনের ব্যবস্থা থাকছে যাত্রীদের জন্য।
নিয়মিত আন্তঃনগর ট্রেনের মতো এসব ট্রেনেও থাকছে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সফিকুর রহমান বলেন, ‘দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজারগামী যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়। সেই বিবেচনায়ই বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, ‘যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ মোকাবেলায় ১৮টি কোচ নিয়ে স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়েছে।
প্রথম দিনে চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করে এরপর ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলবে।’
বিশেষ এই ট্রেন চলাচল ব্যবস্থা যাত্রীদের ভ্রমণ আরো সহজ ও আরামদায়ক করবে বলেই আশা রেল কর্তৃপক্ষের।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করেছে ‘ঢাকা স্পেশাল’ ট্রেন।
একই দিন রাতে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ‘ট্যুরিস্ট স্পেশাল’ ট্রেন ছেড়ে গেছে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে। উভয় ট্রেন প্রতিদিনই নির্ধারিত রুটে চলবে ছুটির শেষদিন পর্যন্ত।
প্রতিটি বিশেষ ট্রেনে ১৮টি বগি থাকবে। দিনে ৮৩৪টি ও রাতে ৭৮৯টি আসনের ব্যবস্থা থাকছে যাত্রীদের জন্য।
নিয়মিত আন্তঃনগর ট্রেনের মতো এসব ট্রেনেও থাকছে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সফিকুর রহমান বলেন, ‘দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজারগামী যাত্রীদের চাপ বেড়ে যায়। সেই বিবেচনায়ই বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, ‘যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ মোকাবেলায় ১৮টি কোচ নিয়ে স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়েছে।
প্রথম দিনে চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করে এরপর ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলবে।’
বিশেষ এই ট্রেন চলাচল ব্যবস্থা যাত্রীদের ভ্রমণ আরো সহজ ও আরামদায়ক করবে বলেই আশা রেল কর্তৃপক্ষের।