গাজীপুরের টঙ্গীতে রাসায়নিকের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও কোনো মামলা হয়নি। আটক বা গ্রেপ্তারও করা হয়নি কাউকে।
এদিকে, আগুনে দ্বগ্ধ টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস সদস্য শামীম আহমেদের পর দগ্ধ আরো এক সদস্য নুরুল হুদা (৩৮) মারা গেছেন। দুই মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে টঙ্গীতে।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নুরুল হুদা। তাঁর শরীর শতভাগ দ্বগ্ধ ছিল। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার মারা যান ফায়ার সার্ভিসের সদস্য শামীম আহমেদ।
নুরুল হুদা ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানার আব্দুল মুনসুরের ছেলে।
আর শামীম আহমেদ নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার মৃত আ. হামিদের ছেলে।
গত সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) টঙ্গীর সাহারা মার্কেট এলাকায় অবস্থিত ফেমাস কেমিক্যাল লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানের গুদামে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুন নেভাতে গিয়ে রাসায়নিক বিস্ফোরণে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের চারজন দ্বগ্ধসহ আটজন আহত হন। আহতদের রাতেই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
এ পর্যন্ত টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের দুইজন সদস্য মারা গেছেন। ওই ঘটনায় টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের আরো দুই সদস্য বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর ৪৮ ঘণ্টায় দুইজনের মৃত্যু হলেও এই ঘটনায় কোনো মামলা বা গ্রেপ্তার নেই। আজ (বুধবার) ঘটনাস্থল ছিল ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। নির্ধারিত ১০০ গজের মধ্যে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
দুর্ঘটনার পর টঙ্গীর যেসব এলাকায় রাসায়নিকের দোকান বা গুদাম রয়েছে, সেসব এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন। একইসঙ্গে টঙ্গীর সমবায় কমপ্লেক্সে শতাধিক রাসায়নিকের দোকান দুর্ঘটনার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে। দোকানিরা গোপনে অবৈধ রাসায়নিক দাহ্য পদার্থ সরিয়ে নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার বিকেল ৪টায় সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনাস্থলের চারদিকে লাল ফিতার বেষ্টনী দিয়ে রাখা হয়েছে। সেখানে কর্তব্যরত ফায়ার সার্ভিসকর্মী রাজ বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আজ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আ. মান্নান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মামলা প্রসঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক ছালেহ উদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা খুব শিগগির মামলা করব।’
এসব ব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ মামলা করেনি। এ ঘটনায় কোনো আটক বা গ্রেপ্তার নেই।
এদিকে, আগুনে দ্বগ্ধ টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস সদস্য শামীম আহমেদের পর দগ্ধ আরো এক সদস্য নুরুল হুদা (৩৮) মারা গেছেন। দুই মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে টঙ্গীতে।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নুরুল হুদা। তাঁর শরীর শতভাগ দ্বগ্ধ ছিল। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার মারা যান ফায়ার সার্ভিসের সদস্য শামীম আহমেদ।
নুরুল হুদা ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানার আব্দুল মুনসুরের ছেলে।
আর শামীম আহমেদ নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার মৃত আ. হামিদের ছেলে।
গত সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) টঙ্গীর সাহারা মার্কেট এলাকায় অবস্থিত ফেমাস কেমিক্যাল লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানের গুদামে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুন নেভাতে গিয়ে রাসায়নিক বিস্ফোরণে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের চারজন দ্বগ্ধসহ আটজন আহত হন। আহতদের রাতেই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
এ পর্যন্ত টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের দুইজন সদস্য মারা গেছেন। ওই ঘটনায় টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের আরো দুই সদস্য বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর ৪৮ ঘণ্টায় দুইজনের মৃত্যু হলেও এই ঘটনায় কোনো মামলা বা গ্রেপ্তার নেই। আজ (বুধবার) ঘটনাস্থল ছিল ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। নির্ধারিত ১০০ গজের মধ্যে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
দুর্ঘটনার পর টঙ্গীর যেসব এলাকায় রাসায়নিকের দোকান বা গুদাম রয়েছে, সেসব এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন। একইসঙ্গে টঙ্গীর সমবায় কমপ্লেক্সে শতাধিক রাসায়নিকের দোকান দুর্ঘটনার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে। দোকানিরা গোপনে অবৈধ রাসায়নিক দাহ্য পদার্থ সরিয়ে নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার বিকেল ৪টায় সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনাস্থলের চারদিকে লাল ফিতার বেষ্টনী দিয়ে রাখা হয়েছে। সেখানে কর্তব্যরত ফায়ার সার্ভিসকর্মী রাজ বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আজ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আ. মান্নান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মামলা প্রসঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক ছালেহ উদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা খুব শিগগির মামলা করব।’
এসব ব্যাপারে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ মামলা করেনি। এ ঘটনায় কোনো আটক বা গ্রেপ্তার নেই।