২১ অক্টোবর ২০২৬ , ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

​ফে নী ২

বিএনপিতে ভিপি জয়নাল, সুযোগ নিতে চায় জামায়াত ও এবি পার্টি

বিএনপিতে ভিপি জয়নাল, সুযোগ নিতে চায় জামায়াত ও এবি পার্টি


জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার তিনটি আসনের মধ্যে মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় ফেনী-২ আসন। কারণ এ আসনের এমপিই জেলার নিয়ন্ত্রক হন। সদর উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১২ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আসনটি।  স্বাধীনতার পর থেকে ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপি দু’বার মাত্র এ আসনে জয়ী হতে পেরেছে। তার বিপরীতে আওয়ামী লীগ জিতেছে সব নির্বাচনে। একবার জিতেছিল জাসদ। অধ্যাপক জয়নাল আবদীন (ভিপি জয়নাল) বিএনপিতে যোগদান করার পর দলটির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে পড়ে। আর বিএনপি ভিপি জয়নালের হাত ধরেই আসনটিতে ভাগ বসায়। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে বিনাভোটে এমপি হন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী। এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ থেকে তিনবার সংসদ সদস্য ছিলেন আলোচিত জয়নাল আবদিন হাজারী। ২০০১ সালে সেনা অভিযানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারত পালিয়ে যাওয়ার পর তার জায়গা দখলে নেন নিজাম হাজারী। যদিও পরে দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হয়েছিলেন জয়নাল হাজারী। তার মৃত্যুর পর একক আধিপত্য ফিরে পান নিজাম হাজারী। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে হারানো আসন উদ্ধার করতে চায় বিএনপি। ভোটের হিসেবে অন্য দলের তুলনায় যোজন যোজন এগিয়ে দলটি। বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্মস্থান হওয়ায় ভোটের ক্ষেত্রে দলটি এগিয়ে থাকে সবসময়। অনেকে মনে করছেন, এবার আসনটি নিজেদের ঘরে রাখাটা চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠবে বিএনপি’র জন্য। সাবেক এমপি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ব্যতিত বিকল্প শক্ত প্রার্থীর হদিস নেই। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মজলিসে সুরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়াকে এরইমধ্যে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।


এছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু এ আসন থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। এ কারণে জোটবদ্ধ হলে মঞ্জুকে ছেড়ে দেয়া হতে পারে এমন গুঞ্জন আছে। যদিও এ আসনে এবি পার্টির সাংগঠনিক কোনো ভিত নেই। নেই কোনো দলীয় কর্মকাণ্ড, তারপরও মাঝে-মধ্যে নিজ জেলা সফরে এসে বিভিন্ন পেশাজীবীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন মঞ্জু। এ আসন থেকে বিএনপি’র মনোনয়ন পেতে পারেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল)। এছাড়া দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবীব উল্যাহ মানিকের নাম শোনা যাচ্ছে। সব হিসাবনিকাশ শেষে ভিপি জয়নালের পাল্লাই ভারী বলে মনে করেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা একরামুল হক ভূঁইয়া এই আসন থেকে প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (মামুনুল হক) কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া ও খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সলকে দলীয় একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ