২০ অক্টোবর ২০২৬ , ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

সাঁকো পার হয়ে নিতে হয় চিকিৎসা সেবা, দুর্ঘটনার শঙ্কা

আপলোড সময় : ২৬-০৮-২০২৫ ০৬:৩৪:২৯ অপরাহ্ন
সাঁকো পার হয়ে নিতে হয় চিকিৎসা সেবা, দুর্ঘটনার শঙ্কা

 

বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট ইউনিয়নের প্রায় ৩০-৩৫ হাজার জনগণ সরকারের স্বাস্থ্যসেবা নিতে হয় ঝুকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো পারাপার হয়ে। প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে (২০২০ সালে) নির্মাণ করা হয় স্নানঘাট কমিউনিটি ক্লিনিক। ক্লিনিকটি স্নানঘাট ইউনিয়ন পরিষদ এবং স্নানঘাট বাজারের পাশে, পুটিজুরী-স্নানঘাট সড়কের দক্ষিণে একটি খালের পাশে অবস্থিত। 

সরেজমিনে দেখা যায়, ঝুকিপূর্ণ কাঠের উপর ভর করে ক্লিনিকে যেতে হয়। স্থানীয়দের তথ্য মতে জানা যায়, ক্লিনিক নির্মাণের পাঁচ বছর অতিবাহিত হবার পরেও ক্লিনিকের সংযোগ ব্রীজ এখনো করা হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয় জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা আছিয়া খাতুন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আমরা পাঁচ বছর ধরে পুলচিরাতেরপুল অনেক কষ্ট করে পার হয়ে ক্লিনিকে ঔষধপাতি নিতে আসি। খালেদ আহমেদ জানান, পাঁচ বছরে আমাদের এলাকার অনেকই বাচ্চা নিয়ে সাঁকো থেকে খালে পড়ছে। আহত ও হইছে, সাঁকো অনেকেই পার হতে পারে না, যারা পারে তারা ও অনেক ঝুকি নিয়ে ক্লিনিকে যায়। গর্ভবতী মহিলারা অনেক কষ্ট করে সাঁকো পার হয়। তিনি সেই সময় একটা নতুন ব্রিজের দাবী জানান।

উক্ত ক্লিনিকের সিএইচসিপি বিজন সূত্রধর জানান, প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন রুগী ক্লিনিকে সেবা নিতে আসে। দৈর্ঘ পাঁচ বছর যাবত জীবনের রিক্স নিয়েই চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন।

স্নানঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন রাহিন জানান, কাঠের সাঁকোর পরিবর্তে নতুন ব্রিজের টেন্ডার হয়েছে দু'বার ফেরদৌস চেয়ারম্যানের আমল একবার, আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর (এমপি) আমলে আরেক বার। তবে কেন ব্রিজ হচ্ছে না তা তিনি জানেন না।

বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বলেন, ক্লিনিকের নামে ১৫ মিটার দৈর্ঘের একটি ব্রীজ অনুমোদন হয়ে আসছিল। কিন্তু কিছু ত্রুটি থাকার কারণে সংশ্লিষ্ট তপ্তরে পূর্ণঅনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।  অনুমোদন হয়ে আসলেই ব্রীজটি নির্মান করা হবে।

মোঃ সোহান মিয়া 
বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি




কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ