২১ অক্টোবর ২০২৬ , ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

উত্তেজনার মধ্যেই বৈঠকে বসছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | ন্যশনাল টাইমস টোয়েন্টিফোর.কম
আপলোড সময় : ০৫-০২-২০২৬ ০৯:৪৩:২৩ পূর্বাহ্ন
উত্তেজনার মধ্যেই বৈঠকে বসছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আগামী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে।  প্রথমে ইস্তাম্বুলে বৈঠকের কথা থাকলেও তেহরানের প্রস্তাবের পর স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে ওয়াশিংটন পরমাণু, ক্ষেপণাস্ত্র ও মানবাধিকার ইস্যুতে আলোচনা করতে চাইলেও ইরান কেবল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী।

Advertisement
 

এরই মধ্যে কাতার, তুরস্ক ও মিশর মধ্যস্থতাকারী হিসেবে একটি খসড়া প্রস্তাব দিয়েছে। এতে তিন বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ ও মজুত বিদেশে পাঠানোর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান 'অনাক্রমণ চুক্তির' প্রস্তাব করা হয়েছে।

ইরানে হামলা চালাতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যাপক প্রস্তুতি আর তেহরানের পাল্টা হুঙ্কারে বাজছে যুদ্ধের দামামা। তবে এর মধ্যেই সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশার আলো দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে, শুক্রবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে দুই পক্ষ।

ইস্তাম্বুলে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকটি ওমানে সরিয়ে নেওয়া এবং দ্বিপাক্ষিক ফরম্যাটে আলোচনা করার ইরানি আবদার হোয়াইট হাউস প্রত্যাখ্যান করেছে বলে প্রথমে জানায় সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। যদিও পরে আরব নেতাদের অনুরোধে মার্কিন প্রশাসন ওমানেই আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে বলে নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমটি।

জটিলতা দেখা দিয়েছে আলোচনার এজেন্ডা কি হবে তা নিয়ে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কেবল পরমাণু কার্যক্রম এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কথা বলবে। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা আঞ্চলিক উপস্থিতি নিয়ে কোনো আলাপ হবে না।

 

তবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অর্থবহ কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে হলে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা এবং দেশের ভেতরের মানবাধিকার পরিস্থিতিকেও আলোচনার টেবিলে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এরই মধ্যে কাতার, তুরস্ক ও মিশর মধ্যস্থতাকারী হিসেবে একটি খসড়া প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ইরান আগে থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে না, আগামী তিন বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হবে এবং তাদের মজুত রাখা ইউরেনিয়াম কোনো তৃতীয় দেশে সরিয়ে নিতে হবে।

বিনিময়ে একটি ‘অনাক্রমণ চুক্তি’র প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা না করার প্রতিশ্রুতি দেবে। যদিও তেহরান বা ওয়াশিংটন কেউই এখন পর্যন্ত এই প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিক সায় দেয়নি।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ