২০ অক্টোবর ২০২৬ , ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

যমুনা সার কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ, বকেয়া মজুরি দাবি

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | ন্যশনাল টাইমস টোয়েন্টিফোর.কম
আপলোড সময় : ০৩-০১-২০২৬ ০৭:৩৮:৫০ অপরাহ্ন
যমুনা সার কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ, বকেয়া মজুরি দাবি

বকেয়া মজুরির দাবিতে জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে কারখানার প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন সেখানকার দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকরা।

আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, যমুনা সার কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকের কাজ করে আসছেন তারা। মেসার্স আল-মমিন আউটসোর্সিং নামের একটি প্রতিষ্ঠান  শ্রমিক পরিচালনায় কাজ পেয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের মজুরি পরিশোধ করলেও নভেম্বর মাস থেকে তাঁরা মজুরি পাচ্ছেন না।

 
বিষয়টি বারবার কারখানা কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারকে জানিয়েও এ পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এ অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাই বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছেন তারা। দ্রুত বেতন পরিশোধ না করা হলে কঠিন আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ার দেন শ্রমিকরা।
 
 

 

কারখানা সূত্রে জানা যায়, যমুনা সার কারখানায় বিভিন্ন দপ্তরে  দৈনিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিক-কর্মচারী সরবরাহে গত বছরের ২১ আগস্ট ঢাকার হাতিরপুল এলাকায় মেসার্স আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠান চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তি অনুযায়ী কারখানা চালু অবস্থায় ২৩৯ জন এবং বন্ধকালীন ১৬৫ জন শ্রমিক সরবরাহ করার কথা ছিল। কার্যাদেশ পাওয়ার পর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের মজুরি পরিশোধ করলেও নভেম্বর থেকে ১৯০ জন শ্রমিকের মজুরি বন্ধ রয়েছে। 

এ ব্যাপারে মেসার্স আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিস লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, দৈনিক মজুরিভিত্তিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী এবং চুক্তি কার্যাদেশ অনুযায়ী কারখানায় সব শ্রমিককে তাঁর প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ দেওয়ার কথা।

 
কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ সেই চুক্তির কার্যাদেশ লঙ্ঘন করেছে।  এ কারণে নভেম্বর মাস থেকে ১৯০ জন শ্রমিকের মজুরি দেওয়া সাময়িক বন্ধ রাখা হয়।

 

যমুনা সার কারখানার  উপমহাব্যাবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের জন্য ঠিকাদারকে গত ১৮ ও ২৯ ডিসেম্বর দুটি চিঠির মাধ্যমে ২৩৯ জন শ্রমিকের বেতন পরিশোধের কথা জানানো হয়। এর পরও বেতন পরিশোধ না করায় শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ)-কে জানানো হয়। এরপর তারা ঠিকাদারকে নোটিশ দিয়ে গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বেতন পরিশোধ করে প্রমাণাদি পাঠানোর নির্দেশ দিলেও এখনও বেতন পরিশোধ করেনি।

 
বিষয়টি দুঃখজনক।


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ