কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত কাজল মিয়া (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত কাজল মিয়া দাউদকান্দি উপজেলার দরাজখোলা গ্রামের রমুজ উদ্দিন প্রধান বাড়ির বাসিন্দা বশির উদ্দিনের ছেলে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৭ নভেম্বর বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধের জেরে দরাজখোলা গ্রামের ভূইয়া বাড়ি ও চৌধুরী বাড়ির লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পাশের গ্রাম থেকে রঙের কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে সংঘর্ষ থামাতে গেলে চৌধুরী বাড়ির লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাজল মিয়াসহ পাঁচ থেকে ছয়জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তার মৃত্যুতে পুরো গ্রামজুড়ে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। নিহতের বাবা বশির উদ্দিন, চাচা নজরুল মেম্বারসহ স্বজন ও এলাকাবাসী ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নিহতের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি মডেল থানার গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর আলম।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, ঘটনাটি আমরা শুরু থেকেই গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি। আহত অবস্থায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। কাজল মিয়ার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।