২১ অক্টোবর ২০২৬ , ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

শেষ দিন তাবলীগ জামাতের আমীর দিল্লরি নিজামুদ্দীন মারকাজের মাওলানা সাদ কান্ধলভীর আখরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হবে কর্মসূচি।

৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে ফিরছে বিশ্ব ইজতেমা : আখেরী মোনাজাত করবেন মাও সাদ কান্ধলভী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ন্যশনাল টাইমস টোয়েন্টিফোর.কম
আপলোড সময় : ২১-১২-২০২৫ ০৬:০৯:৪০ অপরাহ্ন
৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে ফিরছে বিশ্ব ইজতেমা : আখেরী মোনাজাত করবেন মাও সাদ কান্ধলভী

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর আবারও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা।

ইটিভি ভারতে মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বছরের শুরুতেই হুগলি জেলার তাজপুর থানার দাদপুরের পুইনান এলাকায় বসছে এই আন্তর্জাতিক ধর্মীয় মহাসমাবেশ।

আগামী ২ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চার দিনব্যাপী চলবে ইজতেমা। শেষ দিন তাবলীগ জামাতের আমীর দিল্লরি নিজামুদ্দীন মারকাজের মাওলানা সাদ কান্ধলভীর আখরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হবে কর্মসূচি। 
দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে ফের বসতে চলেছে বিশ্ব ইজতেমার আসর। নতুন বছরের শুরুতেই হুগলি জেলার তাজপুর থানার অন্তর্গত দাদপুরের পুইনান এলাকায় আয়োজন করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক এই ধর্মীয় মহাসমাবেশ। আগামী ২ থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে ইজতেমা। ৫ জানুয়ারি আখরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে আনুষ্ঠানিকতা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইজতেমাকে ঘিরে মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। আয়োজকদের প্রাথমিক অনুমান, চার দিনে দেশ-বিদেশ মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ মুসল্লির সমাগম হতে পারে। নামাজ আদায়, ইসলামী বয়ান শোনা এবং শান্তি-কল্যাণ ও আল্লাহর রহমত কামনায় একত্রিত হবেন মুসল্লিরা। বিশ্ব ইজতেমার মতো এত বড় জনসমাবেশ নির্বিঘেœ সম্পন্ন করতে সোমবার নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিশিষ্ট ইমাম, পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ব ইজতেমা যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায়, রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। নবান্ন সূত্রে জানা, হুগলি জেলা প্রশাসনকে ইতোমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০ লাখ মানুষের জন্য থাকা, খাবার, বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা বা গুজব রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া খবর ছড়ানো ঠেকাতে সাইবার সেলকে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে শেষবার পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তিন দশকের বেশি সময় পর ২০২৬ সালে বৃহৎ এই ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবিপি।

বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির আগমন ঘিরে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

 

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইজতেমা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের জন্য প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

আয়োজক সূত্রের ধারণা, এই চার দিনে দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নিতে পারেন।

 

ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এখানে একত্রিত হয়ে নামাজ আদায় করবেন, ইসলামী বয়ান শুনবেন এবং বিশ্বশান্তি, মানবকল্যাণ ও আল্লাহর রহমত কামনায় অংশ নেবেন।

এত বড় ধর্মীয় সমাবেশ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সোমবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

ওই বৈঠকে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিশিষ্ট আলেম ও ইমাম, পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দেন- বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে যেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি না ঘটে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে।

নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, হুগলি জেলা প্রশাসনকে আগাম প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

প্রায় ২০ লাখ মানুষের জন্য অস্থায়ী আবাসন, খাবার ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বলা হয়েছে।

কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, গুজব বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো রুখতে সাইবার সেলকে সক্রিয় ও সতর্ক থাকার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে সর্বশেষ ১৯৯১ সালে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছিল।

প্রায় ৩৪ বছর পর ২০২৬ সালের শুরুতে আবার এই বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশের আয়োজন রাজ্যে ফিরছে, যা ঘিরে মুসলিম সমাজের পাশাপাশি প্রশাসনিক মহলেও ব্যাপক প্রস্তুতি ও নজরদারি চলছে।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ