২২ অক্টোবর ২০২৬ , ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ববরেণ্য আলেম মাওলানা জুলফিকার নকশবন্দির ইন্তেকাল

আপলোড সময় : ১৪-১২-২০২৫ ০৫:২২:০৫ অপরাহ্ন
বিশ্ববরেণ্য আলেম মাওলানা জুলফিকার নকশবন্দির ইন্তেকাল

বিশ্ববরেণ্য সুফি আলেম ও ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা জুলফিকার আহমদ নকশবন্দি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) লাহোরে তিনি ইন্তেকাল করেন। 

আগামীকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় তাঁর প্রতিষ্ঠিত জামিয়া মাহাদুল ফকির আল-ইসলামী প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

শায়খ জুলফিকার আহমদ নকশবন্দি তরিকার একজন প্রভাবশালী সুফি শায়খ ছিলেন। তিনি ইসলামী আধ্যাত্মিকতা ও আত্মশুদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী পরিচিত ব্যক্তিত্ব। দেওবন্দি আলেমদের সঙ্গে তার ছিল গভীর সম্পর্ক। 

জুলফিকার আহমদ নকশবন্দি ১৯৫৩ সালের ১ এপ্রিল পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ঝং জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

 
তিনি স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৭২ সালে তিনি বিএসসি ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে একই ক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রে যোগদান করেন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন জিমন্যাস্টিকস, ফুটবলার এবং সাঁতারের ক্যাপ্টেন ও চ্যাম্পিয়ন।
 

 

তবে ৪০ বছর বয়সে তিনি এই পেশা থেকে অবসর নিয়ে সর্বাত্মকভাবে ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারে আত্মনিয়োগ করেন। একাধারে কোরআনের হাফেজ, মাওলানা, ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার এবং সর্বোপরি নকশবন্দি তরিকার শায়খ হিসেবে এজাজত লাভ করেন। সব মিলিয়ে এক বিরল ও বৈচিত্রপূর্ণ গুণাবলির অধিকারী ছিলেন তিনি। 

জুলফিকার আহমদ নকশবন্দি বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিম ব্যক্তিত্বের অন্তর্ভূক্ত ছিলেন। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে উর্দু ও ইংরেজি ভাষায় ১১৮টি গ্রন্থ রচনা করেন।

 
তিনি এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আফ্রিকার ৫০টির বেশি দেশ সফর করেন এবং ইসলাম প্রচারে তিনি নিয়মিত আলোচনা করেন। 

 

তার ইন্তেকালে ইসলামী অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন আলেম, মাশায়েখ ও ইসলামী ব্যক্তিত্ব তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন। মুসলিম উম্মাহ একজন অভিভাবকসুলভ আলেম ও সুফি শায়খকে হারাল।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ