২২ অক্টোবর ২০২৬ , ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

​১৮ বছর আগে বরখাস্ত হওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ন্যশনাল টাইমস টোয়েন্টিফোর.কম
আপলোড সময় : ১৮-০৮-২০২৫ ০৩:৩২:৫৭ অপরাহ্ন
​১৮ বছর আগে বরখাস্ত হওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ

একইসঙ্গে তাদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত

সোমবার (১৮ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও চারটি পৃথক রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে এ রায় দেন।


আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা ছিল স্বাধীন ও সার্বভৌম ক্ষমতার ওপর অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপ।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন, প্রবীর নিয়োগী ও মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক ও আইনজীবী মুহাম্মদ খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া।

এর আগে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করেছিলেন।

এরও আগে, ২০১০ সালের ১২ এপ্রিল প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ দেন ইসিকে। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ২৫ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ট্রাইব্যুনালের রায় স্থগিত করে আদালতে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলেন।

২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ চেম্বার বিচারপতির আদেশ বহাল রেখে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ের এ নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। পরে ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্তদের মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয়। সেই পরীক্ষায় ৮৫ জনকে অযোগ্য ঘোষণা করে একই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।

এ ঘটনায় চাকরিচ্যুত প্রার্থীরা মামলা করলে ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল তাদের মামলা খারিজ করে দেয়। এর বিরুদ্ধে তারা আপিল করলে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ তাদের পক্ষে রায় দেয় এবং সম্প্রতি পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলো।


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ