সভায় জি কে গউছ আরও বলেন- জনগণকে যারা ভালবাসে, তারা কোনো দিন পরাজিত হয় না। মানুষকে ভালবাসতে পারলে ভোটের অভাব হয় না। বিএনপি জনগণের দল, উন্নয়নের দল, ইসলামী মূল্যবোধের দল। আমরা বিএনপি করি, মানুষের পে কথা বলি, মানুষের দাবী নিয়ে আন্দোলন করি। জনগণকে নিয়েই বিএনপির পথচলা।
তিনি বলেন- দীর্ঘ ১৭টি বছর বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। ভোট কিভাবে দিতে হয় আমাদের তরুণ ভোটাররা তা জানে না। কারণ ভোটার তালিকায় তাদের নাম উঠেছে, কিন্তু তারা ভোট দিতে পারে নাই। অনেক প্রবীণ মানুষ তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে না পারার আকুতি নিয়ে কবরে চলে গেছেন। এর জন্য দায়ী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামীলীগ। জি কে গউছ বলেন- নমরূদ ফেরাউনকে যেভাবে আল্লাহ ছাড়েননি, শেখ হাসিনাকেও ছাড়েননি। আওয়ামীলীগ খারাপ কাজ করেছে বলেই ঘর ছাড়া, বাড়ি ছাড়া, কেউ দেশ ছাড়া। তাই আমরা যেন কেউ ভুলেও আওয়ামীলীগের পথে হাটার চেষ্টা না করি। মানুষকে ভালবাসতে হবে, সকল মানুষকে নিয়েই এই দেশে আমাদেরকে থাকতে হবে। কারণ পালিয়ে যাওয়ার ইতিহাস বিএনপির নেই। তিনি বলেন- আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যারা বিলম্বিত করতে চায় তাদের পরিণতি শেখ হাসিনার চেয়েও খারাপ হবে। ভোট হবে, প্রতিপ থাকবে, সুষ্ঠ প্রতিযোগীতা হবে, এটাই হচ্ছে গণতন্ত্র। বিএনপির নেতা আব্দুল জব্বার মেম্বারের সভাপতিত্বে এবং শাহজাহান মাহমুদ, শামিম মেম্বার ও আব্দাল মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী এনামুল হক ও হাজী এনামুল হক, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান কাজল, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মানিক প্রমূখ।