২৩ অক্টোবর ২০২৬ , ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

৫ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি, গণমিছিলের ঘোষণা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | ন্যশনাল টাইমস টোয়েন্টিফোর.কম
আপলোড সময় : ০৪-১১-২০২৫ ১০:১৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
৫ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি, গণমিছিলের ঘোষণা

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি,সংশোধিত আরপিও বহাল রাখা এবং পৃথক গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে আগামী ৬ নভেম্বর গণমিছিল ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ আটটি রাজনৈতিক দল। এ বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো অগ্রগতি না হলে আগামী মঙ্গলবার ১১ নভেম্বর ঢাকায় গণসমাবেশের কর্মসূচি পালন করার ঘোষণাও দিয়েছে দলগুলো।

গতকাল সোমবার রাজধানীর পল্টনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলের আমির মামুনুল হক। এর আগে চলমান যুগপৎ আন্দোলনের আটটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়েছে।

 
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরে বলা হয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অবিলম্বে জারি করতে হবে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করতে পৃথক গণভোট আয়োজন করতে হবে এবং সংশোধিত ও উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত আরপিওতে আর কোনো ধরনের সংশোধন, পরিমার্জন বা পরিবর্তন করা যাবে না। একই সঙ্গে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, গণহত্যার বিচার ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টার আহবানকে ইতিবাচক উল্লেখ করে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘উচ্চকক্ষে পিআরের ব্যাপারে আট দলের সবাই, জনগণ ও সরকার একমত। জুলাই সনদ বাস্তবায়িত না হলে এই চাওয়া পূরণ হবে না।
 
প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে অন্যরা সাড়া দিলে আমরাও আলোচনায় বসতে রাজি।’

 

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা করে একমত হওয়ার বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। কিন্তু এ বিষয়ে সরকারকে রেফারির ভূমিকা পালন করতে হবে। সমমনা আট দল সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করতে চায়।

 
’ এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি হলো প্রধান বিষয়। এটা না হলে এই সরকার, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সবকিছুই আইনি প্রশ্নের মুখে পড়বে। ৫ আগস্টের পর সংস্কার, বিচার ও নির্বাচনের দায়িত্ব নিয়ে সরকার গঠিত হয়েছিল। সেই লক্ষ্যে সংস্কার কমিশন হয়েছে, ঐকমত্য কমিশন হয়েছে। গণভোটের বিষয়ে সবাই একমতও হয়েছে।
 
এখন গণভোটের দিনক্ষণ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে বিভেদ তৈরি হয়েছে, তা দুঃখজনক। এ ক্ষেত্রে বিএনপির আচরণের কোনো অর্থ আমি বুঝি না।’

 

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক ও মাওলানা কুরবান আলী কাসেমী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হুসাইন, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমাদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউসুফ সাদিক হক্কানী, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব মো. কাজী নিজামুল হক নাঈম।

 
 
 


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ