২২ অক্টোবর ২০২৬ , ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ধর্ষণের ২ মামলায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | ন্যশনাল টাইমস টোয়েন্টিফোর.কম
আপলোড সময় : ২৭-১০-২০২৫ ০৫:৫৭:০১ অপরাহ্ন
ধর্ষণের ২ মামলায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন

পৃথক দুই ধর্ষণ মামলায় তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক মো. গোলাম কবীর পৃথক দুই মামলায় এ সাজার রায় দেন। 

এর মধ্যে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ১২ বছরের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের দায়ে বাড়ির ম্যানেজার আব্দুল গাফফার ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মো. বাচ্চু এবং রামপুরায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে বাচ্চু মিয়া হাওলাদার নামে আরেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। 

দণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 
এদের মধ্যে গাফফার পলাতক রয়েছেন। তবে অন্য দুই আসামিকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

 

যাত্রাবাড়ী থানার মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৬ অক্টোবর ওই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীর মা-বাবা কর্মস্থলে যান। বিকেল ৩টার দিকে আসামিরা যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলের হাশেম রোডের বাসায় আসামিরা ১২ বছরের এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ করেন।

 
ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে তারা তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। 

 

৩০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে আব্দুল গাফফার তাকে ডেকে নিয়ে তার সাথে যেতে বলে। তখন ভিকটিম তার সাথে না গিয়ে বিষয়টি তার মাকে জানায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা ১ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় দুজনকে আসামি করে মামলা করেন।

 
 

 

মামলাটি তদন্ত করে দুজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের ইন্সপেক্টর তাসলিমা আক্তার। ২০২১ সালের ১৮ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

রামপুরা থানার মামলার সূত্রে জানা গেছে, ওই শিশুর মা রামপুরা টিভি সেন্টার রোডে গ্যারেজে রান্না করতেন। ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে বাচ্চু মিয়া শিশুকে দোকান থেকে ঠাণ্ডা এনে দিতে বলে।

 
শিশুটি তার কাছে বাচ্চু মিয়া তাকে রুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন। মেয়ের ফিরে আসতে দেরি হওয়ায় তার মা তাকে খুঁজতে চান। সেখানে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দেখতে পান তিনি। পরে মেয়েটি মাকে বলে, বাচ্চু তার সাথে খারাপ কাজ করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা ওই দিনই রামপুরা থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ৩১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন রামপুরা থানার এসআই এস এম মুকুল মিয়া। ১৬ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য নেন।

 

 
 
 


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ