ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শনিবার দাবি করেছে, তারা মধ্য গাজায় এমন এক ব্যক্তির ওপর ‘সুনির্দিষ্ট হামলা’ চালিয়েছে যিনি ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিলেন।
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার দুই বছরেরও বেশি সময় পর ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে একটি মার্কিন সমর্থিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে।
ইসরায়েল বলেছে, তারা ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠীর একজন সদস্যকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীটি রবিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, তাদের গোষ্ঠী কর্তৃক পরিকল্পিত হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবিটি একটি ‘নিছক মিথ্যা অভিযোগ’।
প্রত্যক্ষদর্শীরা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তারা একটি ড্রোন একটি গাড়িতে আঘাত করতে দেখেছেন এবং গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, চারজন আহত হয়েছেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
পৃথকভাবে অন্য প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, ইসরায়েলি ট্যাঙ্কগুলো গাজা উপত্যকার বৃহত্তম নগর এলাকা গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলে গোলাবর্ষণ করেছে।
বেশ কয়েকটি ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিদেশি বাহিনীর প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নীতি থেকে সরে এসে ইসরায়েল গাজায় মিশরীয় কর্মকর্তাদের প্রবেশে অনুমতি দিয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলায় ইসরায়েলি সম্প্রদায় থেকে অপহৃত জিম্মিদের মৃতদেহ খুঁজে বের করতে এই কর্মকর্তারা সহায়তা করবেন।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে হামাস অপহৃত সব জিম্মিকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু ১৩ জন জিম্মির দেহাবশেষ এখনো গাজা ভূখণ্ডে রয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য করা অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।