পাঠাওয়ের দশম বার্ষিকী উদযাপন, ‘10 Years of Growing with You’, দেশের কোটি কোটি মানুষকে আনন্দিত করছে। এই দশ বছরের যাত্রা উদযাপন করছে প্রযুক্তি ও কমিউনিটির সংযোগের মাধ্যমে। ৯ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত চলমান এই ক্যাম্পেইনটি পাঠাওয়ের ২০১৫ সালের ভিশন থেকে শুরু করে বাংলাদেশে প্রথম সুপার অ্যাপ হওয়া পর্যন্ত যাত্রার স্বীকৃতি, যা ইউজার, রাইডার, মার্চেন্ট ও পার্টনারদের একত্রিত করেছে একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে।
উদযাপনের অংশ হিসেবে পাঠাও চালু করেছে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স গিভঅ্যাওয়ে, যা চলবে ৯ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।
এ ছাড়া শুরু হয়েছে ট্রেজার হান্ট, যেখানে Oraimo থেকে আছে মোট ৫,০০,০০০ টাকার পুরস্কার। ইতোমধ্যে, হাজারো ইউজাররা ইন-অ্যাপে হিন্ট সমাধান করে খুঁজে পেয়েছেন হিডেন পুরস্কার। পাশাপাশি ১৫ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অন-গ্রাউন্ড অ্যাক্টিভেশন শুরু হয়েছে।
উদযাপনকে আরো আকর্ষণীয় করতে, পাঠাও-এর ৯টি টপ পার্টনার, ইউজারদের জন্য ৯ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত নিয়ে এসেছে আকর্ষণীয় অফার-
১। Banglalink: পাঠাও ইউজারদের জন্য স্পেশাল ডাটা প্যাক, পাশাপাশি Orange Club সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসেবায় ৪০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট।
২। Courtside: সকল কেনাকাটায় ১০% ইন-স্টোর ডিসকাউন্ট।
পাঠাও-এর জনপ্রিয় “দশে ১০ Quiz” ইউজারদের জন্য আনন্দ ও পুরস্কার নিয়ে এসেছে, যেখানে পার্টিসিপেন্টস পাবেন সর্বমোট ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সমমূল্যের পুরস্কার। এছাড়া Wish পাঠাও দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১০টি ইউজার ও ১০টি পাঠাও হিরোর ইচ্ছা পূরণ করছে। উইশ পাঠানো যাবে সোশ্যাল মিডিয়া, কুরিয়ার হাব বা ইন-অ্যাপ কার্ডের মাধ্যমে। বিজয়ীদের নাম ঘোষণা হবে Wish Fulfillment Ceremony-তে।
ক্যাম্পেইনজুড়ে পাঠাও ইউজাররা উপভোগ করতে পারবেন বাইক, কার, ফুড ও ইন্টারসিটি রাইডে সর্বমোট ১,৬০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট, সাথে পাঠাও পে-এর মাধ্যমে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। ‘10 Years of Growing with You’ উদযাপন করে এক দশকের সংযোগ ও সমৃদ্ধির গল্প, এবং পাঠাও-কে বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রগতির প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছে।
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও, এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফরম তৈরি করছে যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে পাঠাও শীর্ষস্থানে রয়েছে। ১০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৩,০০,০০০ পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২,০০,০০০ মার্চেন্ট এবং ১০,০০০ রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালনা করছে পাঠাও। প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৫,০০,০০০-এরও বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।